বগুড়া লার্নিং এন্ড আর্নিং সেন্টার-এ এক সাথে কাজ শেখা ও টাকা আয় করার সুযোগ

  • ANIMATION

    Auto CAD 3D, 3Ds Max Advance, Lumion, Adobe Premiere, After Effects, Visualization Technique.

  • GRAPHICS DESIGN

    Photoshop, Illustrator, Indesign, esign Concept.

  • WEB DESIGN

    Photoshop (Basic), HTML, HTML5, CSS, CSS3, Resonsive Web Design, JQuery, JavaScript, Wordpress, PHP

    Tuesday, January 24, 2017


    অ্যাডসেন্স (adsense.com) হলো সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগল পরিচালিত একটি ওয়েব এডভারটাইজিং প্লাটফর্ম। এটি মূলত একটি লাভ-অংশিদারী প্রকল্প যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী তার ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত বিজ্ঞাপনের বিষয়বস্তুথেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। একটি ওয়েবসাইটের মালিক কিছু শর্তসাপেক্ষে তার সাইটে গুগল নির্ধারিত বিজ্ঞাপণ প্রদর্শন করতে পারেন এবং তা থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। বর্তমান অনলাইন বিশ্বে এই বিষয়টি ব্যপক সাড়া জাগিয়েছে। বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিং বা অনলাইনে আয়ের বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে যে পরিমান আয় আসে তার প্রায় ১২ শতাংশ আসে অ্যাডসেন্স থেকে। এক্ষেত্রে মূলত বিভিন্ন ব্লগ সাইটে গুগলের অ্যাডসেন্স বসিয়ে এ পরিমান আয় করেন বাংলাদেশি অ্যাডসেন্স পাবলিশাররা। ২০০৩ সালের ১৮ জুন সর্বপ্রথম গুগল অ্যাডসেন্স প্রকাশ করে।

    অ্যাডসেন্সে আবেদনের সময় যেসকল বিষয় মাথায় রাখবেন ঃ
    অ্যাডসেন্স এ আবেদন করার জন্য সর্বনিম্ন কতটি পোস্ট থাকতে হবে এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট কোন উত্তর নেই। কিন্তু অবশ্যই ২০-২৫ টি অরিজিনাল কন্টেন্ট দিয়ে নিবেন এবং যেগুলোর ওয়ার্ড লিমিট নিয়ে খুব বেশি না ভাবলেও ইউজার যাতে ঐ বিষয়ের সম্পূর্ণ wh question সেই লেখা থেকেই পায়, সুতরাং এসব লিখতে যতটুকু লিখতে হয় লিখবেন। তবে মনে রাখবেন সর্বনিম্ন ২৮০-৩০০ ওয়ার্ডের নিচে জেনো না হয়।সাইটের বয়স বাড়তে দিন, আজকে সাইট খুলেই ১০/১২ টা লেখা দিলেন আর এপ্লাই করে ফেললেন সাথে এপ্রুভাল পাবেন এমন ভাবনা থেকে বেড়িয়ে আসুন। কারণ অপরিপক্ক মা থেকে যেমন বাচ্চা আশা করা যায় না, তেমন ই অপরিপক্ক সাইট থেকেও ভালো রেজাল্ট আশা করা বোকামি। সাইটের এজ প্রায়শই অনেক বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে।পোষ্ট গুলো লিখার সময় টপিক্স রিলেটেড মোটামুটি ভালো সিপিস আছে ও হাই কম্পিটেটিভ (এডওয়ার্ড অনুযায়ী) কিয়ার্ড টার্গেট করে পোষ্ট লিখবেন এতে করে গুগল আপনার সাইটে এড দিতে বেশ আগ্রহী হবে, এবং দ্রুত অ্যাডসেন্সের এপ্রুভাল পাওয়া যাবে।গুগল অ্যাডসেন্সে আপ্লাই করার পূর্বে অবশ্যই সব গুলো পোষ্ট যাতে সার্চ ইঞ্জিনে ইনডেক্স হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পোষ্ট গুলোকে নিয়মিত সোশ্যাল মিডিয়া (বিশেষ করে গুগল প্লাস, টুইটার, ফেসবুক, স্টাম্বল, রেডিট, ফেসবুক, লিংকদিন ইত্যাদি ) এবং বুকমার্ক সাইট গুলোতে শেয়ার করতে হবে। এতে করে সাইটে ট্রাফিকও বেড়ে যাবে দিন দিন।পোষ্টে অতিরিক্ত কিওয়ার্ড ইউজ করে স্টাফিং করা যাবেনা। একটা টার্গেটেড পেজের জন্য প্রাইমারি কিওয়ার্ড বাদে বাকি ৩ (মেক্স) টা সেকেন্ডারি কিওয়ার্ড টার্গেট করবেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে মেটা কিওয়ার্ড নিয়ে না ভাবলেও চলবে।সেম ইন্টেনশনের ভিন্ন ভিন্ন কিওয়ার্ড ফ্রেস টার্গেট করে লিখা যাবে না (যেমন good antivirus এবং best antivirus অনেকক্ষেত্রেই সেম ইন্টেন্ট এর। অনেকেই হয়তো সিপিসি দেখে দুইটা নিয়ে আলাদা আলাদা লেখা পাবলিশ হবে) এতে ক্যানিনিবালাইজশেন প্রবলেমে পরবেন।ভিজিটর নাই এমন সাইটে নিশ্চই গুগল অ্যাড বাসাতে আগ্রহি হবে না, মোটা কথা, সাইটে ভিজিটর বাড়ীয়ে নিন তারপর আবেদন করুন।
    উপরে আলোচিত বিষয়গুলো সঠিক ভাবে ইমপ্লিমেন্ট করুন এবং তারপর এডসেন্স এ আবেদন করুন। যদি সবকিছু ঠিক ঠাক থাকে তাহলে আপনার অ্যাডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র!

    0 comments:

    Post a Comment